সিএইচটি নিউজ বাংলা, ৬
ফেব্রুয়ারি ২০১৩, বুধবার
খাগড়াছড়ির দিঘীনালা উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের লংগদু উপজেলার সীমান্তবর্তী দুর্গম উত্তর গবছড়ি রমেশ চন্দ্র কার্বারী পাড়ায় গত ৪ ফেব্রুয়ারি সোমবার গভীর রাতে অমর বিকাশ চাকমা(৩০) নামের এক ব্যক্তিকে অপহরণের পর জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। সে জনসংহতি সমিতির(এমএম লারমা) সমর্থক বলে জানা গেছে।
নিহত অমর চাকমা গ্রামের মৃত বিমল চন্দ্র কার্বারীর ছেলে। সেনাবাহিনী ও পুলিশ গতকাল মঙ্গলবার বিকেল চারটার দিকে নিহত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে। পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি(এমএন লারমা) নিহত ব্যক্তিকে তাদের সমর্থক দাবি করে হত্যাকাণ্ডের জন্য সন্তুর পক্ষকে দায়ী করেছে।
জনসংহতি সমিতির(এমএন লারমা) নেতা প্রীতিময় চাকমা প্রকাশ ডাক্তার যুগল বলেন, ‘অমর বিকাশ চাকমা আমাদের সমর্থক ছিলেন। তাঁকে সোমবার রাতে সন্তুর পক্ষের লোকজন অপহরণের পর হত্যা করেছে। সন্তুর পক্ষের লোকজনের হুমকির কারণে গ্রামের পুরুষেরাও নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন।’
দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) সাহাদাত হোসেন এ হত্যাকান্ডের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
খাগড়াছড়ির দিঘীনালা উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের লংগদু উপজেলার সীমান্তবর্তী দুর্গম উত্তর গবছড়ি রমেশ চন্দ্র কার্বারী পাড়ায় গত ৪ ফেব্রুয়ারি সোমবার গভীর রাতে অমর বিকাশ চাকমা(৩০) নামের এক ব্যক্তিকে অপহরণের পর জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। সে জনসংহতি সমিতির(এমএম লারমা) সমর্থক বলে জানা গেছে।
নিহত অমর চাকমা গ্রামের মৃত বিমল চন্দ্র কার্বারীর ছেলে। সেনাবাহিনী ও পুলিশ গতকাল মঙ্গলবার বিকেল চারটার দিকে নিহত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে। পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি(এমএন লারমা) নিহত ব্যক্তিকে তাদের সমর্থক দাবি করে হত্যাকাণ্ডের জন্য সন্তুর পক্ষকে দায়ী করেছে।
জনসংহতি সমিতির(এমএন লারমা) নেতা প্রীতিময় চাকমা প্রকাশ ডাক্তার যুগল বলেন, ‘অমর বিকাশ চাকমা আমাদের সমর্থক ছিলেন। তাঁকে সোমবার রাতে সন্তুর পক্ষের লোকজন অপহরণের পর হত্যা করেছে। সন্তুর পক্ষের লোকজনের হুমকির কারণে গ্রামের পুরুষেরাও নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন।’
দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) সাহাদাত হোসেন এ হত্যাকান্ডের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।