সিএইচটি নিউজ বাংলা, ২২
জুলাই ২০১৩, সোমবার
মানবন্ধন কর্মসূচি পালনে
বিজিবি ও সেনাবাহিনী বাধা প্রদান করেছে বলে যুব ফোরামের নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেছেন।
মাটিরাংগা উপজেলার বাল্যাছড়ি স্কুল গেইটের সামনের রাস্তায় সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম। এছাড়া সেনাবাহিনীর বাধার কারণে বাল্যাছড়িতে অনুষ্ঠিত মানবন্ধনে অংশগ্রহণ করতে না পেরে উপজেলার ১০ নাম্বার রাবার বাগান এলাকায়ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। মানববন্ধন কর্মসূচীতে আশপাশের এলাকা থেকে শতশত ছাত্র-যুবক ও নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।
মাটিরাংগা উপজেলার বাল্যাছড়ি স্কুল গেইটের সামনের রাস্তায় সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম। এছাড়া সেনাবাহিনীর বাধার কারণে বাল্যাছড়িতে অনুষ্ঠিত মানবন্ধনে অংশগ্রহণ করতে না পেরে উপজেলার ১০ নাম্বার রাবার বাগান এলাকায়ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। মানববন্ধন কর্মসূচীতে আশপাশের এলাকা থেকে শতশত ছাত্র-যুবক ও নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।
মানব বন্ধন কর্মসূচিতে
উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সদস্য জিকো ত্রিপুরা,
মাটিরাংগা উপজেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জনি ত্রিপুরা, রামগড় প্রতিনিধি সুদীপ্ত ত্রিপুরা,
হিল উইমেন্স ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক চন্দনী চাকমা, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের
খাগড়াছড়ি জেলা সাধারণ সম্পাদক বিপুল চাকমা, পিসিপি নেতা প্রবীর ত্রিপুরা ও চিত্র জ্যোতি
চাকমা।
বক্তারা অভিযোগ করে বলেন,
মানববন্ধনের মতো সাধারণ একটি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতেও বাধা প্রদান করেছে বিজিবি ও সেনাবাহিনী।
কর্মসূচিতে অংশ নিতে আসা গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের কর্মী-সমর্থকদের গাড়িগুলো সেনাবাহিনীর
সদস্যরা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আটকে দিয়েছে। উপজেলার গোমতি থেকে গাড়িতে করে মানববন্ধনে
আসতে দেয়নি স্থানীয় পলাশপুর জোনের বিজিবি কর্তৃপক্ষ।
বক্তারা শান্তিপুর্ণ মানব
বন্ধন কর্মসূচিতে বাধা প্রদানকে অগণতান্ত্রিক আখ্যায়িত করে বলেন, সেনাবাহিনী ও বিজিবি
কর্তৃক গণতান্ত্রিক সভাসমাবেশের উপর বাধা প্রদানই প্রমাণ করে পার্বত্য চট্টগ্রামে অঘোষিত
সেনা শাসন বলবৎ রয়েছে। মানব বন্ধন থেকে বক্তারা গণতান্ত্রিক সভাসমাবেশে
সেনা ও বিজিবি হস্তক্ষেপ বন্ধ এবং অবিলম্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সেনাশাসন প্রত্যাহারের
দাবী জানান।
বক্তারা আরো বলেন, বিজিবি'র
দায়িত্ব সীমান্ত রক্ষা হলেও বিজিবি পলাশপুর জোন কমান্ডার লে. ক. নূরম্নজ্জামান গণতান্ত্রিক
সভা সমাবেশে হস্তক্ষেপ, পিসিপি, ডিওয়াইএফ ও এইচডব্লিউএফ-এর নেতাকর্মীদের ধরপাকড়, মিথ্যা
মামলা দায়ের এবং সেখানকার স্থানীয় জনগণ ও ব্যবসায়ীদের উপর নানাভাবে হয়রানি চালিয়ে আসছে।
বক্তারা অবিলম্বে বিজিবি
পলাশপুর জোন কমান্ডার লে.ক. নূরুজ্জামানকে অপসারণ, পঞ্চসেন ত্রিপুরার হত্যাকারীদের
গ্রেফতার, গণতান্ত্রিক সভা-সমাবেশের উপর হস্তক্ষেপ এবং বেআইনীভাবে ধরপাকড়, নিপীড়ন ও
হয়রানি বন্ধ করা, পিসিপি ও ডিওয়াইএফ নেতা-কর্মীদের উপর দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের
দাবি জানান।