সিএইচটি নিউজ বাংলা, ১৩ জুলাই ২০১৩, শনিবার
রাঙামাটি : রাঙামাটির লংগদু উপজেলার ঠেগাপাড়া সরকারি প্রাথমিক
বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে গভীর জঙ্গলের ভেতর
লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে গেছে অজ্ঞাতনামা ধর্ষণকারি।
নিহত ছাত্রীর নাম মোছাঃ আম্বিয়া(৮)। সে লংগদু উপজেলাধীন
ঠেগাপাড়া এলাকার বাসিন্দা আবুল হোসেনের কন্যা। এ ঘটনায় সালাউদ্দিন নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
এলাকাবাসি ও পুলিশ সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, আজ শনিবার
বেলা নয়টার সময় স্কুলে যাবার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে সন্ধ্যাবধি ঘরে না
ফেরায় আম্বিয়ার পিতা-মাতা তাকে খুজঁতে বের হয়ে বাড়ি থেকে চার কিলোমিটার দূরে
গবীর জঙ্গলের ভেতরে নিহতে লাশ পড়ে থাকতে দেখে।
পরে লংগদু থানা পুলিশকে খবর দিলে খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের লাশ
উদ্ধারে ঘটনাস্থলের দিকে গেছে বলে জানিয়েছেন লংগদু থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল
করিম।
তিনি জানান, এলাকাবাসির কাছ থেকে পাওয়া তথ্যে ধারনা করা হচ্ছে
ধর্ষণের সময় ধর্ষককে চিনে ফেলায় তাকে হত্যা করে ধর্ষণকারি পালিয়ে গেছে।
তারপরও নিহতে লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের রির্পোট পেলে আসল
রহস্য বেরিয়ে আসবে।
সূত্র: বার্তা লাইভ
এদিকে শনিবার রাতে সর্বশেষ পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, এই নির্মম ঘটনার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে উপজেলার মাইনীমুখ বাজার
থেকে সালাউদ্দিন (৩৩) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃত সালাউদ্দিনের বাড়ি একই
এলাকায় বলে জানা গেছে। সে অত্র এলাকার রিয়াজ উদ্দিনের সন্তান।
অপরদিকে ঠেগাপাড়া রেজিষ্ট্রার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয়
শ্রেণীর ছাত্রী আম্বিয়াকে নির্মমভাবে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ধর্ষক ও হত্যাকারিকে আইনের
আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী করেছেন লংগদু উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি
লাল বিহারী চাকমা, সম্পাদক মীর শাহ আলম ও রাঙামাটি জেলা সিনিয়র সহ সভাপতি সুনিতি চাকমা।
সূত্র: বার্তা লাইভ