মঙ্গলবার, ১৮ জুন, ২০১৩

পার্বত্য ভূমি কমিশনের ১৩টি সংশোধনী কার্যকর করার দাবি জানিয়েছে নাগরিক কমিটি

সিএইচটি নিউজ বাংলা, ১৮ জুন ২০১৩, মঙ্গলবার

রাঙামাটি : পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের সংশোধনী বিষয়ে ২০১২ সালের ৩০ জুলাই আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদের নেতৃত্বাধীন আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সর্বসম্মত ১৩টি সংশোধনী প্রস্তাব কার্যকর করার জন্য দাবি জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক কমিটি।

নাগরিক কমিটির সভাপতি গৌতম দেওয়ানের স্বাক্ষরে আজ মঙ্গলবার সংবাদ মাধ্যমে প্রদত্ত ও নিজস্ব ফেসবুকে পেজে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন ২০০১ সংসদে পাশ হওয়ার পরপরই পার্বত্য জনগণ এই আইনের ত্রুটি বিষয়ে সোচ্চার ছিল। পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ কর্তৃক ২৩টি বিষয়কে সংশোধনের জন্য সরকারকে অবহিত করা হলে প্রায় এক যুগ দেনদরবার করার পর ৩০ জুলাই ২০১২ আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদের নেতৃত্বাধীন আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন ২০০১ সংশোধন বিষয়ে ঐক্যমত প্রতিষ্ঠিত হয়। সভায় এই আইন সংশোধনের জন্য ১৩টি বিষয়কে চূড়ান্ত করা হয়, যা পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণ মেনে নিয়েছিল।

বিবৃতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলা হয়, গত ২৭ মে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রীসভার বৈঠকে পার্বত্য ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন(সংশোধিত)২০১৩ এর খসড়া অনুমোদন এবং পরবর্তীতে ৩ জুন চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করলেও এতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সর্বসম্মত ১৩টি সংশোধনীর পরিবর্তে ১০টি সংশোধনী এবং এর মধ্যে ২টিকে পরিবর্তীত রূপে অনুমোদন প্রদান করা হয়েছে। যদি সর্বসম্মত একটি সিদ্ধান্ত ও পার্বত্য চুক্তির মূল প্রতিপাদ্য বিষয়কে এভাবে পাশ কাটানো হয় তাহলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে কিনা তা আজ বিচার্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।


বিবৃতিতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সর্বসম্মত ১৩টি সংশোধনী প্রস্তাব ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন(সংশোধিত) ২০১৩’-তে প্রতিস্থাপন করে কার্যকর করার দাবি জানিয়ে বলা হয়, অন্যথায় পার্বত্য চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে এবং প্রত্যাশিত ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি অর্জিত হবে না।
-----