সিএইচটি নিউজ বাংলা, ২ ডিসেম্বর ২০১২, রবিবার
জনসংহতি সমিতির সন্তু গ্রুপের সভাপতি সন্তু
লারমাকে আঞ্চলিক পরিষদ থেকে অপসারণ এবং তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত দুর্নীতি ও বিভিন্ন কেলেংকারীর
তদন্তের দাবি জানিয়েছে গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ
ও হিল উইমেন্স ফেডারেশন।
গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের সভাপতি নতুন কুমার
চাকমা, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সভাপতি সুমেন চাকমা ও হিল উইমেন্স ফেডারেশনের
সভানেত্রী কণিকা দেওয়ান আজ ২ ডিসেম্বর রবিবার এক যুক্ত বিবৃতিতে এ দাবি জানান।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, 'সন্তু লারমা রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও ক্ষমতা অপব্যবহার করে পার্বত্য
চট্টগ্রামে হত্যালীলা চালিয়ে যাচ্ছেন। চুক্তির পর আজ পর্যন্ত তার সশস্ত্র সদস্যদের হাতে ইউপিডিএফ ও
তার সহযোগী সংগঠনের ২৩১ জন নেতা,
কর্মী ও সমর্থক প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া তার দলের সন্ত্রাসীরা
জনসংহতি সমিতির এম. এন. লারমা গ্রুপ, আওয়ামী লীগ, যুব লীগ,
কৃষক লীগ ও ছাত্র লীগের অনেক নেতাকর্মীকে
খুন ও অপহরণ করেছে। এক কথায় ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি শান্তি আনতে ব্যর্থ
হলেও, তা সন্তু লারমাকে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েমের সুযোগ করে দিয়েছে।'
সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামে চলমান ভ্রাতৃঘাতি
সংঘাতের দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে তিন সংগঠনের নেতারা আরো বলেন, এই সংঘাত ও হানাহানি জিইয়ে রাখার জন্যই সরকার সন্তু লারমাকে
১৫ বছর ধরে আঞ্চলিক পরিষদের গদিতে বসিয়ে রেখেছে।
নির্বাচন ছাড়া আঞ্চলিক পরিষদের মতো একটি জনপ্রতিনিধিত্বশীল
সংস্থায় দেড় দশক ধরে এভাবে তাকে গদিনসীন রেখে পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের গণতান্ত্রিক
ও সাংবিধানিক অধিকার হরণ করা হয়েছে বলে তারা মন্তব্য করেন।
তারা বলেন, সন্তু লারমার দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারীতা ও কেলেংকারী সর্বজনবিদিত। তাকে আঞ্চলিক পরিষদ
থেকে অপসারণ পূর্বক তার বিরুদ্ধে খুন ও দুর্নীতির বিচার করা না হলে পার্বত্য চট্টগ্রামে
শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে না।