সিএইচটি নিউজ বাংলা, ১ জুন ২০১২
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং তংচঙ্গ্যা গ্রামে আসামী ধরার নামে নিকটবর্তী
পুলিশ ফাঁড়ি থেকে একদল
পুলিশ ব্যাপক তান্ডবলীলা চালিয়েছে। এ সময় পুলিশের নির্যাতনে এক গর্ভবতী মহিলার গর্ভপাত সহ অন্তত ৬/৭ জন মহিলা ও বেশ কয়েকজন
আহত হয়েছে। পুলিশ কয়েকজন তরুণীর শ্লীলতাহানি ঘটায়। গত ৩০ মে
বুধবার গভীর রাতে এ
ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশ নিজ বাড়ি থেকে
উছা থাইন তংচঙ্গ্যা,
ছা থাইং তংচঙ্গ্যা, নয়ন তংচঙ্গ্যা ও ছা থাই চিং তংচঙ্গ্যাকে আটক করে নিয়ে যায়।
গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি
নতুন কুমার চাকমা, হিল উইমেন্স ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি কণিকা দেওয়ান ও পাহাড়ি
ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি সুমেন চাকমা আজ ১ জুন
শুক্রবার এক যুক্ত বিবৃতিতে উক্ত ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দরা অভিযোগ করে বলেন, পুলিশ আসামী ধরার নামে মূলত পাহাড়িদেরকে নিজ বাস্তুভিটা থেকে
উচ্ছেদ করতে স্থানীয় আব্দুল হকের ভাড়াটিয়া হিসেবে এ ঘটনাটি ঘটিয়েছে।
নেতৃবৃন্দরা আরো বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর উস্কানীতে রাজধানী ঢাকা সহ সারা দেশব্যাপী
সাধারণ নাগরিক ও সাংবাদিকদের উপর পুলিশি হামলার অংশ হিসেবে এ ন্যাক্কারজনক হামলা চালনো
হয়েছে।
নেতৃবৃন্দরা অবিলম্বে আটককৃতদের নিঃশর্ত মুক্তি, আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও যথোপযুক্ত ক্ষতিপুরণ এবং ঘটনায় জরিত পুলিশ সদস্যদের
বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণের
জোর দাবি জানান।